Xiaomi যা পারে অন্য কম্পানি পারে না কেন । জেনে আসুন Xiaomi এর ইতিহাস ।

শাওমি(xiaomi) বা এমআই কোম্পানী সম্পর্কে আমরা জানি তারা শুধু স্মার্টফোন আনে সেটা কম দামে সবথেকে পসিবল সেরা মোবাইল নিয়ে আসে। কিন্তু অন্য কোম্পানি সেটা কেন করে না যেটা xiaomi করতে পারে??
……………………………………..
2014 সালে শাওমি গ্রিনিচ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করেছিল 1 দিনে 21 লাখ ফোন বিক্রি করে। এবং সেটা সম্ভব হয়েছে এক দিনে একাধিক ফ্লাশ সেল রাখার জন্য। আমরা অনেকেই জানিনা শাওমি ইন্ডিয়াতে মিডিয়াটেক প্রসেসর লাগানো কোনো ফোন বিক্রি করতে পারবে না। কারণ তারা কিছু পেটান লো যে আটকে যায়, কিছু আইন আছে, কিছু পেটেন্ট আছে যেগুলো এরিকসনের হাতে রয়েছে। এবং সেই প্যাটার্ন গুলো এরিকসনের হাতে থাকার কারণে Xiaomi পক্ষে কোন দিন কোন মিডিয়াটেক প্রসেসর মোবাইল ইন্ডিয়াতে বিক্রি করতে পারবে না। এটা তো আমরা সবাই জানে Xiaomi কে অ্যাপেল অফ চায়না বলা হয়। শাওমির প্রতিষ্ঠাতা দুজনকে বলা হয় চায়নার স্টিভ জবস। এমনিতে “লি জুন” “স্টিভ জবস” এর থেকে অনেকটাই ইসপায়ার্ড। তিনি যখনই কোন প্রোডাক্ট লঞ্চ করতে যায় ঠিক স্টিভ জবস এর মতই ব্লু জিন্স ও কালো টি শার্ট পড়ে যান। এবং এর প্রভাব স্বামীর প্রোডাক্টগুলো হতেও পরে। শাওমির প্রোডাক্টগুলো অনেকটাই আইফোনের থেকে ইসপায়ার্ড এমনকি শাওমির প্যাকেজিং বক্স , সবকিছুই ছিল অ্যাপেলের এক্সপায়ার্ড। কিন্তু সামনের এই উত্থানের পেছনে রহস্যটা কি?
 Xiaomi কি করে পারে সবথেকে কম দামে সব থেকে ভালো স্পেসিফিকেশন দিতে। এটা আবার প্রমাণ হলো যখন Xiaomi রেডমি নোট 7(redmi note) ও রেডমি নোট 7 প্রো (redmi note 7pro)তে কম টাকায় খুব ভালো পণ্য দেওয়ার ফলে। মানে এই দুটো ফোন হল সব থেকে পয়সা উসুল ফোন। শাওমি নোট সেভেন যদি আমরা ধরি এতে রয়েছে স্নাপড্রাগণ 660 প্রসেসর আছে ঠিকি কিন্তু সেটা পুরো ফুল ভার্সন আছে মানে ফুল স্পিডে কাজ করবে। এর আগে আমরা দেখেছি আসুসের ফোনে বাড়ি রিয়েলমি(realmi) ফোনে স্নাপড্রাগণ 660 প্রসেসর কিন্তু সেটি সব ছিল আন্ডার ক্লক প্রসেসর। রেডমি নোট সেভেন এ আমরা যেরকম দেখছি স্নাপড্রাগণ 660 ফুল ভার্সন প্রসেসর তেমনি তার সাথে এক্সট্রা বোনাস পাচ্ছি পেছনের দিকে গ্লাস বডি গরিলা গ্লাস প্রটেকশন। পাশাপাশি দেখুন শাওমি ছাড়া যে ফোন কোম্পানিগুলো রয়েছে যেমন স্যামসাং রিয়েল মি বা আসুস এরা কিন্তু দিচ্ছে পেছনে ব্যাকসাইড প্লাস্টিক, পলিকার্বনেট বডি। রেডমি নোট 7 শুধু প্রসেসর ও গ্লাস বডি দিচ্ছে শুধু তাই না তারা অন্যান্য ফোন থেকে খুব কম দামে মোবাইল বিক্রি করছে। কিন্তু সব থেকে অবাক করা বিষয় যখন আমরা দেখি শাওমি নিজেদের ফোন Xiaomi A2 যেটা আমরা পেয়েছিলাম 2018 সালে সেটার স্পেসিফিকেশন মোটামুটি রেডমি নোট সেভেন এর মতই অথচ সেটা আজ থেকে 1 বছর আগে কিনতাম অন্তত 7 থেকে 10 হাজার টাকা বেশি দিয়ে। আর রেডমি নোট 7 প্রো এর কথা যদি ধরেন সেখানে Xiaomi দিয়েছে স্নাপড্রাগণ 660 প্রসেসর ওই একই প্রসেসর ভিভো ভি ফিফটিন ফোনে পাচ্ছি যেটার শাওমি নোট 7 প্রো থেকে অন্তত 10 হাজার টাকা বেশি। কিন্তু Xiaomi এটা কি করে পারে সেটা জানতে হলে আমাদের ইতিহাস এদিকে ফিরে যেতে হবে। আমরা সবাই মোটামুটি জানি Xiaomi 2010 সালে চায়নাদের শুরু হয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিতে প্রথম যখন শুরু করেছিল তখন একটা সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট এর কাজ করতো। অ্যান্ড্রয়েডের যে রম আছে সেই কাস্টমাইজ রম তৈরি করতো এম আই ইউ আই নামে যেটাকে আমরা এখন মিমি বলে থাকি। তাদের প্রতিষ্ঠাতা লি জুন বড় বড় কোম্পানি থেকে টাকা নিয়েছিলেন এবং যার মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য কোয়ালকম কোম্পানির সাথে চুক্তি হয়েছিল যে চুক্তি আজও বর্তমান সেই কোয়ালকম কোম্পানির নামাজে মুখে মুখে ফেরে তাদের প্রসেসর এর জন্য যার ফলে শাওমি কোয়ালকমের প্রসেসর অন্য যে কোন কোম্পানির থেকে কিছুটা কম দামে নিতে পারে তাই Xiaomi কম দামে ফোন দিতে পারে। এটা তো ছিল স্বামীর প্রথম কারণ……………

বাকি কারন গুলো জানতে আমাদের সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ…।

About regulartechbd

Check Also

কম্পিউটার বিজ্ঞানের পড়ালেখা

কম্পিউটার বিজ্ঞানের পড়ালেখা

কম্পিউটার বিজ্ঞানের পড়ালেখা   উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার পরে শিক্ষার্থীরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *