Korean Deama Flower Of Evil Review

Korean Deama Flower Of Evil Review

Drama Name : Flower Of Evil
Native Name/Hangeul : 악의꽃
Written By: Fai Rub Ia

Cast : Lee Joon Gi, Moon Chae Won, Jang Hee Jin, Seo Hyeon Woo.
.
Genre : Drama, Melodrama, Suspense, Thriller, Mystery, Crime, Psychology.
.
Episodes : 16
.
Running Time : 70 minutes (approximate- more or less according to per episodes)
.
Plot Synopsis:
অনেক নিখুঁত আর পূর্ণতাপ্রাপ্ত সুখী সংসার ডিটেকটিভ্ Cha Ji Won (Moon Chae Won) আর ধাতু/লৌহ কারিগর Baek Hee Sung (Lee Joon Gi) এর, যেখানে তাদের একটি পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানও থাকে যার নাম Baek Eun Ha (Jung Seo Yeon). যে কোন কারণে Baek Hee Sung এর বাবা, যিনি একজন মেডিকেলের ডিরেক্টর Baek Man Woo (Son Jong Hak) এবং মা ফার্মাসি শপের মালিক Gong Mi Ja (Nam Gi Ae) এই বিয়ের বিপক্ষে ছিলেন। কারণ, তারা Cha Ji Won কে পছন্দ করেন না, এমনকি যখন থেকে তারা প্রেম করে তখন থেকেই। এমনকি তাদের সন্তানকেও মেনে নেয়নি তারা। যদিও Cha Ji Won তার সাধ্যমতো সব চেষ্টাই করেন যেনো তার শ্বশুর-শ্বাশুড়ির মন জয় করতে পারেন। যেভাবেই হোক, Baek Hee Sung কে প্রতিদিনই দিন শুরু করতে হয় হাস্যোজ্জ্বল থাকতে হয় কিভাবে সেই ভিডিও দেখে। Cha Ji Won এর ডিটেকটিভ্ টিমের প্রধান Lee Woo Cheol (Choi Dae Hoon), সিনিয়র টিম মেম্বার Choi Jae Seop (Choi Young Joon) এবং জুনিয়র টিম মেম্বার Im Ho Joon (Kim Soo Oh) ডিটেকটিভ্ Chai Ji Won এর কর্মদক্ষতা, কাজের প্রতি সেনসিটিভিটি আর প্যাশনেট এর প্রতি যথেষ্ট খুশি আর গর্ববোধ করেন।
একদিন তাদের কাছে এক খুনের কেইস আসে, যার সিগনেচার হুবহু ১৮-২০ বছর আগে হওয়া পর পর ৭টি খুনের সিরিয়াল কিলার Do Min Seok (Choi Byung Mo) এর খুনের সাথে মিলে যায়। খুন হয় Nam Soon Gil (Lee Kyu Bok) নামের এক চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিকের। Cha Ji Won সহ পুরো ডিটেকটিভ্ টিমের সন্দেহ হয় Do Min Seok এর ছেলে Do Hyun Su কে, যে প্রায় ১৮ বছর ধরে নিখোঁজ তাদের গ্রামের মোড়লের খুনের আসামি হয়ে। তাছাড়া জানা যায় যে, Do Min Seok তার খুনগুলো একা করেনি। বরং সাথে কোন সহযোগীও ছিলো। আর ধারণা করা হয়, সেই সহযোগী ছিলো তার নিজেরই ছেলে Do Hyun So. এছাড়াও, ইনভেস্টিগেট করে আরও দেখা যায় যে, Nam Soon Gil কে হত্যা করার জন্য Do Hyun Su এর কাছে কোন অজ্ঞাত মোটিভও ছিলো, যা কারোর জানা নেই। স্বাভাবিকভাবেই সব এভিডেন্স ফলো করে ডিটেকটিভ্ টিম খুনের আসামি হিসেবে Do Hyun Su কে খুঁজতে শুরু করে। Do Hyun Su-র ট্রেস পাওয়ার জন্য ওর বোন Do Hae Su (Jang Hee Jin) এর সাথেও দেখা করে ডিটেকটিভ্ Cha Ji won. কিন্তু জানতে পারে বোনের সাথেও কোনদিন দেখা করেনি Do Hyun Su. খুনি এদিকে Baek Hee Sung কে অপহরণ করে এবং নানানভাবে অত্যাচার করে। শেষ পর্যন্ত খুনিকে ধরলেও দেখা যায়, সেই খুনি Do Hyun Su না বরং Park Kyung Choon নামের এক ট্যাক্সি ড্রাইভার, যার স্ত্রী Jung Mi Sook (Han Soo Yeon) কে ২০ বছর আগে Do Min Seok আত্মহত্যা করার আগে শেষবারের মতো অপহরণ করে খুনের জন্য। কিন্তু, তার মৃতদেহের কোন ট্রেস পাওয়া যায় না। তাই এই কেইস সলভ্ হওয়ার পর শুরু হয় ২০ বছর আগের সিরিয়াল খুনের রি-ইনভেস্টিগেশন, যার দায়িত্বে থাকে ডিটেকটিভ্ Cha Jin Won এর টিম। এদিকে অপহরণকৃত স্বামীকে উদ্ধারের পর ডিটেকটিভ্ Cha Ji Won নতুন কিছু জানতে পারে তার স্বামীর ব্যাপারে, যা তাকে কাজে অমনযোগী করে তোলে। আবার পুরাতন মার্ডার কেইস রিওপেন হওয়ায়, Baek Man Woo আর Gong Mi Ja যথেষ্ট ভীত আর সন্ত্রস্ত ছিলো বিষয়টা নিয়ে। তার উপর, হঠাৎ করেই Do Hae Su দাবী করে যে, গ্রামের মোড়লের খুনী তার ভাই না বরং সে। কারণ, Do Hyun Su কখনই কাউকে হত্যার কথা কল্পনাও করতে পারে না। Do Hyun Su কে ঘিরে পুরো মার্ডার কেইস নির্ভর করলেও, রিইনভেস্টিগেশন যত বাড়তে থাকে, ততোই ডিটেকটিভ্ Cha Ji Won-র স্বামী তাতে চোরাবালির মতো আটকে যেতে থাকে। সব মিলিয়ে সবশেষে অনেক চড়াই উতড়াই পার করে পুরাতন মার্ডার কেইস সলভ্ করা হয়।
.
¤ Baek Man Woo এবং Gong Mi Ja কেনো তাদের সন্তানের পছন্দ মেনে নিতে নারাজ ছিলো? কেনো তারা Cha Ji Won কে পছন্দ করার এবং মেনে নেওয়ার সমস্ত কারণ থাকা সত্ত্বেও একেবারেই মেনে নেয়নি, এমনকি সন্তান হবার পরও?
¤ সুখী সংসার এবং ফুটফুটে কন্যা সন্তান থাকার পরও, হাস্যোজ্জ্বল থাকার জন্য Baek Hee Sung কে কেনো ভিডিও দেখে দিন শুরু করতে হয়?
¤ Park Kyung Choon কেনো Nam Soon Gil কে হত্যা করে? হত্যার মোটিভই বা কি ছিলো?
¤ Park Kyung Choon কেনো ডিটেকটিভ্ Cha Ji Won এর পরিবারের মানুষকেই অপহরণ আর অত্যাচার করে?
¤ ২০ বছর আগে অপহরণ হওয়া Jung Mi Sook এর মৃতদেহের ট্রেস কেনো পাওয়া যায়নি?
¤ Do Min Seok কেনো আত্মহত্যা করলো?
¤ গ্রামের মোড়লের খুনি কে? Do Hyun Su নাকি Do Hae Su? খুনের মোটিভই বা কি?
¤ Do Hyun Su যদি কাউকে খুনের কথা কল্পনাই করতে না পারে, তবে Do Min Seok এর খুনের সহযোগী কে ছিলো?
¤ Do Hyun Su এর কোন ট্রেস না পাওয়া সত্ত্বেও, কেইস শেষ পর্যন্ত সমধান কিভাবে হয়?
এরকম নানান প্রশ্নের জবাব আর সব টুইস্টের রেজাল্ট জানতে দেখতে হবে Flower Of Evil নামের দমবন্ধ হওয়া থ্রিলিং ড্রামাটি।
.
*প্রথমেই বলবো Lee Joon Gi-র কথা। ভাই আমি ওর এতবড় ফ্যান যে, কি বলবো! ওর অভিনয় আমার কাছে ১০০/১০০ লাগে। এই ধরনের ড্রামাতে, মুভিতে ও ছাড়া আর কাউকে বেশি মানাবে না। ওর যে কয়টা স্ক্রিনিং দেখছি, সবগুলোতেই ওকে একইসাথে ফ্র্যাজাইল, কিন্তু রেসপনসিবল পার্সন হিসেবে দেখায়। এই বিষয়টা আমার অনেক ভালো লাগে। একটা মানুষ একই সাথে অসহায়, কিন্তু দায়িত্ববান- এটা আসলেই অনেক কঠিন। যেমন বাস্তবে, তেমনি অভিনয়েও ফুটিয়ে তোলা। আর এটা ও অনেক আর অনেক ভালো পারে। তাই ওর জন্য এটা অবশ্যই দেখা উচিৎ একটা ড্রামা।
*ড্রামাতে যে পরিমাণ টুইস্ট, মিস্ট্রি আর থ্রিল ছিলো- আমার মাথাটা শুধু ঘুরছে আর ঘুরছে। প্রতিবারই মনে হচ্ছিলো যেনো সব দেখায় দিলো, কোন টুইস্ট নাই আর। কিন্তু বারবারই আমার দম বন্ধ হয়ে আসতেছিলো পরবর্তী সিনে কি হবে দেখার জন্য।
*ড্রামাটা অত্যন্ত পরিমাণে শিক্ষা দিয়ে ভরপুর ছিলো। একটা মানুষের মাঝে যে সম্পূর্ণ তার শৈশব আর বাবা-মায়ের শিক্ষা রিফ্লেক্ট হয়, এই ড্রামাতে তা অনেক সুন্দর করে দেখাইছে।
*একজন মানুষের প্রতি তার পারিপার্শ্বিক মানুষ বা সমাজের রিপিটেড কোন কথা বা কাজ তার সাইকোলজি পর্যন্ত পরিবর্তন করে দিতে পারে, এটা আরেকটা শিক্ষনীয় দিক এই ড্রামার।
*এই ড্রামা এত্তো এত্তো টুইস্ট তৈরী করছে যে, কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্লটহোল রয়ে গেছে। তার মধ্যে একটা হলো এটার প্রধান শিক্ষার বিষয়টা। পুরো ড্রামার প্রধান শিক্ষা ছিলো-
=একজন শিশুর প্রতি, তার নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রতি বাবা-মার ঔদাসিনতা আর তাতে সন্তানকে সহমত দেওয়ার ভয়াবহতা। এই বিষয়টা আরেকটু ডিটেইলে দেখানো দরকার ছিলো ড্রামাতে, যেমন- শৈশবের কিছু ডিটেইল দেখানো যেতো। সেটা দেখায়নি।
=তাছাড়া, Do Min Seok এর মৃত্যুতে যেই রহস্য আছে, সেটার ব্যাপারেও মাত্র একবার দেখানো হয়েছে ড্রামাতে। এটাও একটু আনএক্সপেক্টেড ছিলো আমার কাছে এতো পার্ফেক্ট একটা ড্রামাতে।
=এছাড়াও, Do Min Seok এর স্ত্রী এর ব্যাপারেও একটা হাল্কা টুইস্ট দেখায় ড্রামাতে। যেটা সম্পূর্ণ রিভিল করে না। সেটাও দেখানো উচিৎ ছিলো। এই বিষয়টা একটু কনফিউজিং পার্টেই রেখে দেয় রাইটার।
=আর ভিক্টিমদের নিয়ে খেলা করার বিষয়টা কেনো আর যেভাবে করে সেভাবেই কেনো এবং ভিক্টিমদের বাম হাতের থাম্ব নেইলগুলো মিসিং হওয়ার পিছনেও একটা গভীর কারণ ছিলো। যেটা ভিলেনের ছোটবেলার সাথে অথবা পারিবারিক কোন ইস্যুর সাথে রিলেটেড। এটাও দেখানো হয়নি ড্রামাতে। এই বিষয়টায় শুধু হাল্কার উপর ঝাপসা একটা ডিটেইল দিছে মিস্ট্রির মতো করেই।
*আরেকটা নেগেটিভিটি থাকে শেষের এপিসোডের এক্সট্রা ট্রাজেডি তৈরী করার বিষয়টা। সেটা না করলেও পারতো। শেষের এপিসোডে এই অতিরিক্ত কাহিনী তৈরী না করে বরং Baek Hee Sung শৈশব থেকেই কিভাবে নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে বড় হতে থাকে, সেটা দেখালেও পারতো। আর Do Hyun Su এর উপর ওর শৈশব, ভঙ্গুর পরিবার আর সমাজের প্রভাব কিভাবে পড়তে থাকে সেটা দেখালেও পারতো।
*আমার পার্সোনাল রিভিউতে যেটা সেরা হয়ে থাকবে তা হলো- এই ড্রামার নামটা। ❤ আমি এ পর্যন্ত যতো ড্রামাই দেখছি, সবগুলোর ভালো লাগা ডিপেন্ড করছে স্টোরি, অ্যাক্টিং স্কিল বা কোন ক্যারেক্টার বেসিসে। কিন্তু এটা প্রথম ড্রামা যার নামটাও আমাকে মুগ্ধ করছে। বেশিরভাগ ড্রামারই হয়তো স্টোরির সাথে নামের সাথে মিল থাকে। কিন্তু, এই ড্রামার নামটা আমার কাছে অনেক বেশি সার্থক মনে হইছে। নামটা আমি ড্রামার এপিসোডগুলো একটা একটা করে দেখার সাথে সাথে বুঝতে পারছি। আর নামটাকেও একটা আলাদা ভালো লাগার জায়গা তৈরী করে দিছি। যদিও আমি Flower Of Evil এর বদলে Flowers Of Evil নামটা বেশি প্রিফার করছি সম্পূর্ণ দেখার পর। তবুও, এটাও 💖.
এতো টুইস্টের ১৬ পর্বের ড্রামা হলে কিছু নেগেটিভিটি থাকতেই পারে। তবুও সব মিলিয়ে এই ড্রামা একটা বিশাল সৌন্দর্য আর ভালো লাগার আরেক নাম। না দেখলে জীবনে বড় ধরনের কিছু মিস করা হবে, অন্ততঃ একজন কোরিয়ান প্রেমীদের জন্য। তাই এটা কিসঅ্যাশিয়ান থেকে যত দ্রুত সম্ভব দেখে নিতে পারেন।
.

About regulartechbd

Check Also

Triangle (2009) Bangla Review

Triangle (2009) Bangla Review

Triangle (2009) Bangla Review   রিতিমত মাথার ব্রেইন এর ব্যায়াম হয়ে যাবে হলিউডের এই মুভি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.