নতুন পরিকল্পনা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার। পরিকল্পনা শুরু হয়েছে স্বাধীনতার পর থেকে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন।

বাংলাদেশকে নিয়ে আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে একটি চক্র।বাংলাদেশে নাকি ৩৭ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩ কোটি ৭০ লক্ষ হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান গুম হয়েছে। ডোনাল্ট ট্রাম্পকে এমন তথ্য দিয়েছে এক হিন্দু মহিলা। যে মহিলাটি ট্রাম্পের কাছে অভিযোগটি দিয়েছে তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হউক।

বাংলাদেশই পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে সব ধর্মের মানুষ সমান সুযোগ সুবিধা নিয়ে বসবাস করতে পারে। কোন বিজাতী রাষ্ট্রে এমন কোনো সুযোগ সুবিধা নেই, প্রমাণস্বরূপ ভারত। ভারতে প্রতি নিয়ত হিন্দুদের হাতে মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে।

বাংলাদেশকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা যেভাবে শুরু হলো

  • পরিকল্পনার প্রথম ধাপ:-


প্রথমত চট্টগ্রাম বিভিন্ন স্কুলে প্রবেশ করে হিন্দু পুরোহিত,  হিন্দু সম্প্রদায়ের রথযাত্রা অনুষ্ঠানে হিন্দুত্ববাদের স্লোগান অর্থাৎ‘হরে কৃষ্ণ, হরে রাম’ বলে শিক্ষার্থীদের কৃষ্ণ প্রসাদ খাওয়ানো হয়। প্রসাদ দেওয়ার পর তাদের সাথে ছবি তোলা হয় এবং এগুলো চারদিকে ছড়িয়ে দিতে থাকে। যেন  ছবিগুলো দেখার পর মুসলমানরা ক্ষিপ্ত হয় তাদের উপর। আর যদি ক্ষিপ্ত না হয় তাহলে বুঝবে মুসলমানরা নিস্তেজ হয়ে গেছে। মুসলমানরা তাদের ধর্মের অবমাননা করছে।



আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনা মৃত সংঘ তথা ‘ইসকন’ তাদের ‘ফুড ফর লাইফ’ কর্মসূচির আওতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের রথযাত্রা উপলক্ষে এ প্রসাদ বিতরণ করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ পুণ্যের ভাবনা থেকে তাদের দেবতার নামে উৎসর্গকৃত খাবারের অবশেষ এসব প্রসাদ আহার করে থাকে। এই প্রসাদ আহার করা মুসলমানদের জন্য হারাম।

৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে অবুঝ মুসলিম শিশু-কিশোরদেরকে এভাবে ‘হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে, শ্লোগান দিয়ে এ প্রসাদ বিতরণ করে মুসলিম ধর্মীয় চেতনাবোধে মারাত্মক আঘাত করেছে। মুসলমানদের ঈমান-আকিদার জায়গা থেকে এসব কুফরি শব্দ মুখে আনতে পারে না।

যেহেতু মুসলমানদের ধর্মীয় চেতনাবোধে আঘাত করেছে। তাই এই দেশের হক্কানি আলেম এবং মুসলিম যুবক চুপ করে থাকে কিভাবে! চট্টগ্রাম ঐতিহ্যবাহী সংগঠন মুসলিম ছাত্র জনতা প্রতিবাদ সভা ও মিছিলের আয়োজন করে। মিছিল শেষে সমাবেশ করেন এবং প্রসাদ ভোগী স্কুল ছাত্রদের জমজমের পানি ও খেজুর খাওয়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়াও এক ধর্মের শিশুকে অন্য ধর্মের আচার চাপিয়ে দেওয়া সাংবিধানিক অপরাধ দাবি করে এর কঠোর বিচার দাবি করেছেন বক্তারা। এমন সময় তারা তাদের দ্বিতীয় পরিকল্পনা সাজালো।



  • পরিকল্পনার  দ্বিতীয় ধাপ:-


প্রিয়া সাহাকে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাছে পাঠানো হলো। তিনি গিয়ে বললেন,বাংলাদেশে নাকি ৩৭ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩ কোটি ৭০ লক্ষ হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান গুম হয়েছে। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এরপর তিনি বলেন, এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।

এক পর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতিশীলতার স্বরূপ এই নারীর সঙ্গে হাত মেলান।

মূল ভিডিওর লিঙ্ক https://www.facebook.com/abc4utah/videos/2301600330105127/

পরিকল্পনার কারণ’:-
1971 সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর চট্টগ্রামের বিধর্মীরা চেয়েছিল চট্টগ্রামকে আলাদা রাষ্ট্র করতে। দীর্ঘ সশস্ত্র লড়াই এর পর পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বাহিনীর সাথে বাংলাদেশ সরকারের শান্তিচুক্তি সই হয়েছিল ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর। তারপর অতিক্রান্ত হয়েছে ২১ বছরের ও বেশি সময়। চট্টগ্রামকে আলাদা করতে এখন তারা নতুন পরিকল্পনা করছে। মুসলমানের ধর্মীয় চেতনায় আঘাত করে মুসলমানকে ক্ষিপ্ত করে তুলছে, অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।এর মানে স্পষ্ট যে তারা যেভাবেই হোক চট্টগ্রামকে আলাদা করতে চায়। এমনিতে ও বাংলার অধিকাংশ অংশ ভারতের মধ্যে পড়ে গেছে। আবার যদি বাংলাদেশকে ভেঙ্গে চট্টগ্রাম আলাদা করা হয় তাহলে বাংলা হয়ে যাবে টুকরো টুকরো। কেমন তার কিছুতেই হতে দেওয়া যায় না।

এখন করণীয়:-
নাম– প্রিয়া সাহা। 
সাম্প্রদায়িক সংগঠন- হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। 
গ্ৰাম:-চরবানিরী, মাটিভাঙ্গা, নাজিরপুর, পিরোজপুর।
স্বামী:-মলয় সাহা, 
উপ পরিচালক, দুদক |
সন্তান:-  দুই মেয়ে 
কয়েক বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করছেন, গত তিন দিন আগে প্রিয়া সাহাকে এয়ারপোর্টে পৌছে দেন তার স্বামী, দুদকের সহকারি পরিচালক মলয় সাহা।
সকালে এয়ারপোর্ট পৌছে ফ্লাইট মিস্ করেন প্রিয়া, তারপর সেই রাতে আরেক ফ্লাইটে তিনি আমেরিকায় রওনা করেন।
এখন কথা হলো,

প্রিয়া সাহা যা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে এবং বিশ্ব মিডিয়ায় যা প্রচারিত হলো, তা কি তার স্বামী মলয় সাহা কি তা জানতেন না ?

আমাদের প্রথম দাবী, প্রিয়া সাহার স্বামী মলয় সাহা কে দুদকের চাকুরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

দ্বিতীয় দাবী, প্রিয়া সাহার সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে। তার নামে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করতে হবে।

About regulartechbd

Check Also

জানুন আপনার কোন প্রিয় জিনিস লিভারটাকে নষ্ট করে দিচ্ছে বিস্তারিত জেনে নিন।

  জানুন আপনার কোন প্রিয় জিনিস লিভারটাকে নষ্ট করে দিচ্ছে দেখুন কোন জিনিসে আমাদের কী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *